সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একজন সৎ, ভদ্র, নম্র, স্পষ্টবাদী ও উদার মনোভাবের মানুষ হিসেবে নিজ দলের নেতাকর্মীসহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের নিকট তার সুনাম রয়েছে। রাজনীতি করতে গিয়ে এ সুদীর্ঘ সময়ে তিনি কখনও কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় প্রশ্রয় দেননি এবং কোন সন্ত্রাসী লালন করেননি। তিনি কখনও নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে আপোষ করেননি।
১৯৭৫ পরবর্তী বিভিন্ন সরকারের মন্ত্রী পরিষদে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহবান তিনি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং নিজ দলের আদর্শে অবিচল থেকেছেন সব সময়। রাজনীতি করতে এসে মুক্তিযুদ্ধসহ বহুবার তিনি জীবন মৃত্যুর মুখোমুখী হয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী আয়েশা সুলতানা, মিরসরাই আসনের সাবেক সংসদ্য মাহবুব রহমান রুহেলসহ তার তিন ছেলে এবং একজন মেয়েসহ অসংখ্য রাজনৈতিক অনুসারী, শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সমিতির নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি দীপেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মুস্তফা নঈম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মোমেন, যুগ্ম সম্পাদক কামাল উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ এহসানুল হক খসরুসহ কর্মকর্তারা গভীর শোক প্রকাশ করেন।
মরহুমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টায় জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর পর বাদ যোহর গ্রামের বাড়ি মীরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়নের এস রহমান কলেজ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।