শুধু ভাতের ধরন নয়, পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিবিদের মতে, দুপুরে বড় প্লেট ভাতের সঙ্গে যদি পর্যাপ্ত প্রোটিন ও সবজি না থাকে, তাহলে খাওয়ার পর ঝিমুনি বেশি অনুভূত হতে পারে।তাই ভাতের সঙ্গে ডাল, দই, পনির, ডিম বা মাছের মতো প্রোটিন এবং আঁশসমৃদ্ধ সবজি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব খাবার একসঙ্গে খেলে হজমের গতি ধীর হতে পারে এবং খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে।
পুষ্টিবিদের পরামর্শ, শুধু ঘুম পাওয়ার কারণে ভাত পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং ভাতকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ খাবারের অংশ হিসেবে খাওয়াই ভালো।
খাবার ধীরে ধীরে খাওয়া এবং একবারে খুব বেশি খাবার না খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে দুপুরে অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার খেলে খাওয়ার পর ঝিমুনি বাড়তে পারে।
অর্থাৎ ভাত নিজে ভালো বা খারাপ—বিষয়টি এত সরল নয়। ভাতের পর ঘুম পাওয়ার ক্ষেত্রে খাবারের সামগ্রিক ভারসাম্য, পরিমাণ এবং খাওয়ার অভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে খাওয়ার পর অতিরিক্ত বা নিয়মিত ঝিমুনি হলে শুধু খাবারকে কারণ ধরে না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।