তবে আসাদ সরকারের পতনের পরও সিরিয়ার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। সম্প্রতি দামেস্কের একটি ক্যাফেতে প্রাণঘাতী বোমা হামলার ঘটনা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির দুর্বলতা আবারও সামনে এনেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সংঘাতের পর দেশকে পুনরায় একত্রিত করা এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা নতুন নেতৃত্বের জন্য বড় পরীক্ষা।গত বছর সিরিয়া ইসলামিক স্টেটবিরোধী আন্তর্জাতিক জোটে যোগ দেয়। একই সময়ে দেশটির নতুন নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ফ্রান্স টোয়েন্টি ফোর জানিয়েছে, প্রতিবেশী তুরস্ক সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমর্থক। অন্যদিকে, বাশার আল-আসাদের পতনের পর ইসরায়েল সিরিয়ায় একাধিকবার বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান চালিয়েছে।
ম্যাখোঁর সফরের পরবর্তী ধাপে তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় যাবেন। সেখানে পরদিন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে। এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বুধবার ন্যাটো সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সম্প্রতি সিরিয়াকে লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে ফ্রান্স এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।
ফ্রান্স টোয়েন্টি ফোরের তথ্য অনুযায়ী, আহমেদ আল-শারা বলেছেন, লেবাননের চলমান পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করার কোনো পরিকল্পনা সিরিয়ার নেই।