তিনি বলেন, এখানে যে ফাইনাল হবে, সেটা এই মাসের ২৯ তারিখে সে অনুষ্ঠান হবে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। সেখানেও প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন এবং সেখানে ১০০টি টিম থাকবে এবং ১০০টি টিমকে উনি পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে মূল্যায়ন করবেন, স্বীকৃতি দেবেন, বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন। সেই একই অনুষ্ঠানে কিন্তু আমরা একসঙ্গে দেশজুড়ে অনেকগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছি এবং আমাদের সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে ২৯,৬৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে একটি বড় অংশ ভার্চুয়ালি থাকবে এবং ফিজিক্যালি প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভিশন প্রসঙ্গে তার এই উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন অনুযায়ী বিএনপি নির্বাচনে প্রণীত যে ইশতেহার রয়েছে, সেখানে জাতি বিনির্মাণের জন্য যে ইতিবাচক উদ্যোগগুলো রয়েছে বৃক্ষরোপণ, খাল খনন কর্মসূচি, গণশিক্ষা কার্যক্রম, শিশু কিশোরদের পাশে থাকা—এ ধরনের বহুমুখী উদ্যোগে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে সম্পৃক্ত করতে চাই। আগামীর বাংলাদেশ তোমরাই গড়ে তুলবে সুতরাং আমাদের এই ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা যেন মানবিক, মূল্যবোধ, পারিবারিক শিক্ষা এবং বলিষ্ঠ নৈতিক চরিত্র ছোটবেলা থেকে শিক্ষণ পায়, সেজন্যই শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং দুই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, আমাদের পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন, বিয়োজনগুলো নিয়ে আসছি এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম তথা এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিস, স্পোর্টস এবং কালচারকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছি।
মাহদী আমিন বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা যেখানে সমতা থাকবে, ন্যায্যতা থাকবে, শহর এবং গ্রামের মাঝে শিক্ষার যে পার্থক্য, বিভেদ বা বৈষম্য রয়েছে সেটি কমে আসবে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন যে, তিনি সার্টিফিকেটনির্ভর কোনো শিক্ষাব্যবস্থা নয়, এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা চান যার মাধ্যমে আমাদের শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীদের মাঝে আগামীর বাংলাদেশের কাণ্ডারি হিসেবে নাগরিক মূল্যবোধ গড়ে উঠবে, সামাজিকতা, নৈতিকতা, পারিবারিক শিক্ষা গড়ে উঠবে। এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা তিনি চান যেখানে আমাদের শিক্ষার্থীদের ভেতরে আমরা ডিসিপ্লিন, ইন্টিগ্রিটি, ভ্যালুজ, প্রিন্সিপালস এগুলো তৈরি করতে পারব। যার লক্ষ্য হিসেবে ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি যে দেশের প্রতিটি স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা গার্লস গাইড, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এগুলোতে প্রাধান্য দিচ্ছি।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরো বলেন, একই সঙ্গে দেশজুড়ে স্পোর্টস এবং কালচারের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার মিশ্রণ পাঠাচ্ছি। আমরা একদম তৃণমূলের গ্রামীণ স্কুল থেকে শুরু করে রাজধানী ঢাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের দেশব্যাপী কম্পিটিশন শুরু করেছি। আমাদের লক্ষ্য বিতর্ক, সায়েন্স ফেস্টিভাল, এন্টারপ্রেনারশিপ বিভিন্ন ধরনের ইনোভেটিভ আইডিয়াকে নিয়ে এবং স্পোর্টসের বিভিন্ন ধারা বা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যেন সে ধরনের সৃজনশীলতা ভূমিকা প্রকাশ করাতে পারি। স্টুডেন্টদের জন্য আমরা ইতিমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’ শুরু করেছি স্পোর্টসের জন্য, কালচারের জন্য, সামনে ইনশাআল্লাহ কোরআন তিলাওয়াতের জন্য শুরু হবে।