জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বংশাল থানায় মামলাটি করেন জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেন।মামলায় ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন মাহির রহমান, বার্জিস শাবনাম বর্ষা, ফারদিন আহম্মেদ আয়লান।এদের সবাইকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া আরো অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার সব আসামিকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। যেহেতু মামলা হয়েছে, তাই তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।আজই তাদের আদালতে তোলা হবে।’মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মো. জোবায়েদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনও দিতেন। ১৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার সময় তিনি বংশাল থানাধীন ৩১নং ওয়ার্ডের নুর বক্স লেনের ১৫নং হোল্ডিং রৌশান ভিলায় বর্ষাকে পড়ানোর জন্য যান। একই দিনে সন্ধ্যা প্রায় ৫টা ৪৮ মিনিটে ছাত্রী বর্ষা জোবায়েদ হোসেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই সৈকতকে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে জানায়, ‘জোবায়েদ স্যার খুন হয়ে গেছে, কে বা কারা জোবায়েদ স্যারকে খুন করেছে।ঘটনার বিষয়টি ১৯ অক্টোবর রাত ৭টায় জবি শিক্ষার্থী মো. কামরুল হাসান মামলার বাদী জোবায়েদের ভাইকে মোবাইল ফোনে জানান। তার ভাই সৈকত ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।সৈকত সেখানে গিয়ে তার পরিচিত বড় ভাই অ্যাড. ইশতিয়াক হোসেন জিপুকে সঙ্গে নিয়ে রৌশান ভিলার নিচতলা থেকে উপরে ওঠার সময় সিঁড়ি ও দেয়ালে রক্তের দাগ দেখতে পান। ওই ভবনের ৩য় তলার রুমের পূর্ব পাশের সিঁড়িতে জোবায়েদের মরদেহ দেখতে পান।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..