সুতরাং খেলাধুলা নিজে বৈধ হলেও ওয়াকফকৃত ঈদগাহে খেলাধুলা করা সমীচীন নয়। বিশেষ করে যখন তা ঈদগাহের সম্মান ও পবিত্রতার পরিপন্থী বলে বিবেচিত হয়। তাই আল্লাহর দ্বীনের নিদর্শন ও ইবাদতের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোর মর্যাদা সংরক্ষণ করা একজন মুমিনের কর্তব্য।
অতএব, শারীরিক অনুশীলনমূলক খেলাধুলা ইসলামে জায়েজ আছে। তবে ওয়াকফকৃত ঈদগাহ মাঠ সাধারণ খেলার মাঠ নয়; এটি মুসলমানদের একটি ধর্মীয় ও ইবাদতসংক্রান্ত স্থান। যদিও তা পূর্ণাঙ্গ মসজিদ নয় এবং কিছু ক্ষেত্রে মসজিদের সব বিধান প্রযোজ্য হয় না, তবুও এর মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষার জন্য ফকিহরা সেখানে খেলাধুলা ও অনুরূপ কর্মকাণ্ডকে অনুচিত বলেছেন। তাই একজন সচেতন মুসলমানের জন্য উত্তম হলো শরীরচর্চা ও খেলাধুলার জন্য অন্য কোনো সাধারণ মাঠ বা উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা এবং ঈদগাহের ধর্মীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। কারণ আল্লাহর নিদর্শনের সম্মান রক্ষা করা তাকওয়ারই একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ।