আধ্যাত্মিক দর্শনের বিভিন্ন ধারায় বলা হয়, মানুষের অনেক কষ্টের মূলেই রয়েছে অতিরিক্ত আসক্তি। এর অর্থ এই নয় যে লক্ষ্য, সম্পর্ক বা স্বপ্নকে গুরুত্ব দেয়া যাবে না।বরং বোঝার চেষ্টা করতে হবে কোন মুহূর্তে কোনো কিছু ধরে রাখার চেষ্টা আপনার মানসিক শান্তিকে কেড়ে নিচ্ছে। নিচে এমন পাঁচ ধরনের অভ্যাস দেয়া হলো যা অজান্তেই আপনার মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এগুলো হলো-
পরিকল্পনা করা এবং ভালো ফলের আশা করা স্বাভাবিক। কিন্তু সুখ যদি একমাত্র নির্দিষ্ট কোনো ফলাফলের ওপর নির্ভর করে, তাহলে বাস্তবতা ভিন্ন হলে হতাশা আরও তীব্র হয়।
জীবন সবসময় একরকম যায় না। তবে অনেকেই আগের সুন্দর স্মৃতি ধরে বসে থাকেন। আবার অনেকে অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে ভাবেন।
মানুষের স্বীকৃতি পাওয়ার ইচ্ছা স্বাভাবিক। কিন্তু নিজের আত্মসম্মান যদি পুরোপুরি অন্যের প্রশংসা বা গ্রহণযোগ্যতার ওপর নির্ভর করে তাহলে ভাবতে হবে। এমন হলে আপনি নিজেকে হারিয়ে ফেলতে পারেন সেইসনেগ মানসিক শান্তি চলে যাবে। তাই অন্যরা আপনাকে নিয়ে কী বলছে কীভাবে দেখছে সেটা নিয়ে ভাবা যাবে না।
অনেকেই নিজের বিষয়ে একটু বেশি ভাবেন। তারা মনে করেন তারাই সেরা কোনও কিছুতেই তারা হাড়বে না। আর এতে সামান্য ভুল বা ব্যর্থতা তা মেনে নিতে পারে না। এই বিষয়টা তাদের ভাবায় আর তারা মানসিক শান্তি হারিয়ে ফেলেন।
এমন অনেকেই আছেন যারা সবসময় সব পরিস্থিতিতে সবাইকে তার নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, জীবনের অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা মানসিক ক্লান্তি বাড়ায়। বরং যা বদলানো সম্ভব, সেখানে মনোযোগ দেয়া এবং বাকিটুকু মেনে নেয়ার অভ্যাস মানসিক স্বস্তি এনে দিতে পারে।
আমাদের জীবন একেক সময় একেক রকম। নানান সময় নানা পরিবর্তন আসে। তাই কোনও অভ্যাস বা বিষয় নিয়ে ব এ থাকা যাবে না। সময়ের সঙ্গে যেমন নিজেকে পরিবর্তন আনতে সেই অস্নগে নিজের মানসিক শান্তির বিষয়েও সচেতন হতে হয়। তাই যদি উপরের ৫ অভ্যাস থাকে আপনার এগুলোয় পরিবর্তন আনতে পারেন।