২. হায়ালুরোনিক অ্যাসিড: এই উপাদান ত্বকে পানি টেনে এনে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।ফলে ত্বকের টানটান ভাব ও শুষ্কতা কমতে পারে। তবে এর পর এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।
৫. শিয়া বাটার: শিয়া বাটার ত্বকে আর্দ্রতা জোগায় এবং রুক্ষ ও খসখসে ত্বক নরম রাখতে সহায়তা করে। অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের যত্নেও এটি ব্যবহার করা হয়।
৬. নিয়াসিনামাইড: ত্বকের সুরক্ষাবলয় ভালো রাখতে এবং আর্দ্রতা হারানো কমাতে নিয়াসিনামাইড সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি ত্বকের গঠন ও মসৃণতা উন্নত করতেও এটি ব্যবহৃত হয়।
৭. প্যানথেনল: শুষ্ক ও অস্বস্তিকর ত্বকে আর্দ্রতা জোগানো এবং ত্বককে প্রশমিত রাখতে প্যানথেনল সহায়ক। ত্বকের সুরক্ষাবলয় বজায় রাখতেও এটি ভূমিকা রাখে।
অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকে যেসব উপাদান কাজে আসতে পারে
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের মতে, পেট্রোলাটাম, ইউরিয়া ও কলয়েডাল ওটমিল শুষ্ক ত্বকের যত্নে উপকারী হতে পারে। পেট্রোলাটাম ত্বকের ওপর সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে পানি বেরিয়ে যাওয়া কমায়। ইউরিয়া ত্বকে আর্দ্রতা বাড়াতে এবং রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, কলয়েডাল ওটমিল ত্বককে আর্দ্র রাখতে ও অস্বস্তি প্রশমনে সহায়তা করে।
তবে সব ধরনের শুষ্ক ত্বকের জন্য একই ময়েশ্চারাইজার উপযুক্ত নয়। একজিমা, সোরিয়াসিস বা অন্য কোনো ত্বকের সমস্যার কারণে শুষ্কতা দেখা দিলে যত্নের ধরনও আলাদা হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ধরে চুলকানি, প্রদাহ, ত্বক ফেটে যাওয়া কিংবা অতিরিক্ত শুষ্কতার সমস্যা থাকলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।ত্বকের ধরন ও সমস্যার কারণ বুঝে উপযুক্ত উপাদান বেছে নেওয়াই শুষ্ক ত্বকের যত্নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।