• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
মানুষের জীবনে সুখ ও দুঃখের উৎস শুধু সম্পদ বা পদমর্যাদা নয়; বরং কিছু বাস্তব উপাদান আছে, যেগুলো জীবনকে শান্তিময় বা কষ্টকর করে তোলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে চমৎকার বিস্তারিত...
মানুষের পার্থিব ও অপার্থিব কল্যাণ নিশ্চিত করতেই পৃথিবীতে ইসলামের আগমন। ইসলামের এই কল্যাণকামিতা তার প্রতিটি বিধি-বিধানে প্রতিভাত হয়েছে। ইসলামী অর্থব্যবস্থার এমনই একটি কল্যাণকর দিক হলো অন্যকে প্রাধান্য দেওয়া এবং অন্যের
মিসকীন’ শব্দটি আমাদের সমাজে উচ্চারিত হয় করুণার সুরে, কখনো আবার অবজ্ঞার তির্যক ছোঁয়ায়। কিন্তু ইসলাম এই শব্দের ভেতর লুকিয়ে রেখেছে এক গভীর মর্যাদা, এক আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য। যে মানুষ পৃথিবীর চোখে
বড় ধরনের বিপদ হলে অথবা আপনজন বা কারো মৃত্যুর খবর পেলে ধৈর্য ধারণ করা কর্তব্য। ধৈর্যের পাশাপাশি ‘ইন্না লিল্লাহ’ পড়া সুন্নত। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এটিকে মুমিনের বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ
মানুষের জীবনের অত্যন্ত মূল্যবান এক সম্পদ হচ্ছে সময়। সময়কে যে যত বেশি কাজে লাগাতে পারে সে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানের তত সাফল্য অর্জন করতে পারে। অথচ এই মূল্যবান সময়ের
ইসলামপূর্ব জাতি ও সভ্যতাগুলোর ভেতর ডাকব্যবস্থার প্রচলন ছিল। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব দশম শতাব্দীতে চীনা সমাজে এবং খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীতে অ্যাসেরিয়ান ও ব্যাবিলনিক সভ্যতায় ডাকব্যবস্থার প্রচলন ছিল। ডাকব্যবস্থার প্রথম বর্ণনা
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। তাঁর গোটা জীবন বিশ্ববাসীর জন্য উত্তম আদর্শ ও অব্যর্থ মাইলফলক। তাঁর জীবনের এমন কোনো দিক নেই যেখানে উম্মতের জন্য শিক্ষা নেই।ঘরসংসার থেকে শুরু
প্রতিবছর ১১ অক্টোবর “বিশ্ব কন্যাশিশু দিবস” পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুর অধিকার, নিরাপত্তা ও শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতে। আধুনিক সমাজে এই দিনটি অনেক মানবিক আহ্বানের প্রতীক হলেও, চৌদ্দশত বছর আগে ইসলাম