সারা দেশে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে কিশোররা। একে অপরকে ক্ষমতা প্রদর্শন করতে কয়েকজন কিশোর মিলে পাড়া বা মহল্লায় বিভিন্ন নামে গড়ে তুলছে বিশেষ বাহিনী। সাধারণত নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারিত...
ইসলামে মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্কের উপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করে। নিচের হাদিসটিতে মহানবী (সা.) কয়েকটি নীতি তুলে ধরেছেন, যা মুসলিম সমাজকে ভ্রাতৃত্ব, দয়া, সহানুভূতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে তোলতে খুবই
মানবজাতির ইতিহাসে বহু সংস্কারক, দার্শনিক ও নেতার আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অধিকাংশই প্রতিপক্ষকে দমন, শাস্তি বা ধ্বংস করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করেছেন। এর বিপরীতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ইসলামে নেতৃত্ব একটি মহৎ দায়িত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ আমানত। একজন শাসকের সিদ্ধান্তে শুধু তার নিজের জীবন নয়, বরং পুরো জাতির কল্যাণ বা অকল্যাণ নির্ভর করে। তাই ইসলামে ন্যায়পরায়ণ শাসককে আল্লাহর ছায়াতলে
মানবজীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি বাস্তবতা হলো অভাব-অনটন। কখনো অর্থকষ্ট, কখনো খাদ্যাভাব, কখনো আবার বেকারত্ব বা নানা সংকট। জীবনের কোনো না কোনো অধ্যায়ে মানুষ এসবের মুখোমুখি হয়। প্রশ্ন হলো, এর সমাধান আমরা
মানবজীবনে সম্পর্কের গুরুত্ব সর্বজনবিদিত। পরিবার, সমাজ, প্রতিবেশী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক রক্ষা মানুষের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়। ইসলামে এই দায়িত্বকে একটি বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বিশেষত আত্মীয়তার
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের
আজকের আধুনিক সমাজে পরিবার যেন এক অচেনা আবহে ভেসে বেড়াচ্ছে। একসময় যা ছিল শান্তি, ভালোবাসা ও আত্মিক সান্ত্বনার কেন্দ্র, সময়ের পরিক্রমায় আস্তে আস্তে তা হয়ে উঠছে টানাপড়েন, বিবাদ ও বিচ্ছেদের