• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
দাওয়াতে ইসলামীর ‘ইজতিমা’ শুরু ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫,বুধবার তাহাজ্জুদের নামাজ থেকে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও রাজধানীর এয়ারপোর্ট সংলগ্ন কাওলা (আশিয়ান সিটি) ময়দানে আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনের সুন্নাতে ভরা বিস্তারিত...
ইসলাম শুধু কিছু আনুষ্ঠানিক ইবাদতের নাম নয়, বরং এটি শান্তি, ভারসাম্য ও মানবিকতাসমৃদ্ধ এক পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এই দ্বিন যেমন মানুষের ইবাদত-বন্দেগিকে সংরক্ষণ করে, তেমনি মানুষের আরাম, অধিকার, মর্যাদা ও মানসিক
ইসলামে ইবাদতের মর্যাদা শুধু তার পরিমাণে নয়, বরং নিয়ত, পরিবেশ ও পদ্ধতির উপরও নির্ভরশীল। বিশেষত জামাআতের সাথে আদায়কৃত নামাজ ব্যক্তির ঈমান, শৃঙ্খলা ও সামাজিক বন্ধনের এক উজ্জ্বলতার প্রমান বহন করে।
ইসলাম শুধু ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাও ইসলামের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর কথা ও কর্মের মাধ্যমে মুসলিম সমাজকে এমন এক নৈতিকতার
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের
মানুষের জীবন আশা, ভয়, দুঃখ ও আকাঙ্ক্ষার ভেতর দিয়ে চলে। দিনের ব্যস্ততার পর রাত যখন নিস্তব্ধ হয়, তখন বান্দা তার রবের নিকট সর্বাধিক নৈকট্য লাভের সুযোগ পায়। পবিত্র কোরআন বারবার
মানুষের জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সব দিক অন্ধকার মনে হয়, পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, আশার আলো নিভে আসে। মহানবী (সা.)-এর জীবনেও প্রিয়তমা স্ত্রীর ইন্তেকাল, চাচার ইন্তেকাল, অতঃপর তায়েফের
মানব ইতিহাসে আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ হলো মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; যাঁর মাধ্যমে বিশ্বমানবতা পথ, আলো ও মর্যাদার সত্য রূপটি চিনতে পেরেছে। তাঁর নাম উচ্চারিত হওয়া মানেই রহমত, নূর ও