• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি বিস্তারিত...
বিজ্ঞান যতই এগিয়ে যাচ্ছে, নতুন নতুন গবেষণায় প্রমাণিত হচ্ছে, রাসুল (স.)-এর জীবনাচরণের মধ্যে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক গবেষণালব্ধ তথ্য নিহিত রয়েছে। এ ব্যাপারে কিছু বিষয় সংক্ষেপে আলোচনা করছি। খাদ্যাভ্যাস : রাসুল
রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন মানবজাতির জন্য প্রেরিত এক সর্বোত্তম আদর্শ। তিনি শুধু একজন মহান ধর্মীয় নেতা ছিলেন না, বরং একজন পরম স্নেহময় পিতাও ছিলেন। তাঁর পারিবারিক ও পিতৃত্বের দিকটি প্রতিটি মুসলিম
মুসলমানদের মধ্যে পরস্পর ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা অন্যতম ইবাদত। এটা মহান আল্লাহ প্রদত্ত বিধান। মুসলমানদের উচিত সার্বক্ষণিক এই ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করা, কখনো কারো মধ্যে মতভেদ দেখা দিলে অন্যদের দায়িত্ব
ইসলাম মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। শান্তি, স্থিতি ও সমৃদ্ধির জন্য যেসব কাজ হুমকি—তা ইসলামে নিষিদ্ধ। বিশেষত, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং মানুষের জান-মালের ক্ষতি হয় এমন সহিংস ও বিধ্বংসী
নবীযুগে মদিনায় নবী (সা.) অর্থের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন—অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার, মুসলিম সমাজের কল্যাণ ও সেবা। মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন—অর্থ অর্জন ও ব্যয় হোক বৈধ ও ন্যায্য উপায়ে এবং অন্যায়, জবরদস্তি,
পবিত্র কোরআনের একাধিক স্থানে আল্লাহ ‘উলুল আলবাব’ তথা বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণদের সম্বোধন করেছেন। আল্লাহর এই সম্বোধন ইতিবাচক ও প্রশংসাসূচক। কোরআনের এসব সম্বোধনের দ্বারা প্রমাণিত হয়, ‘উলুল আলবাবরা’ আসমানি হেদায়েত ও
গাজীপুরের টঙ্গীতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নাবী (সা.) উপলক্ষে অরাজনৈতিক সেবা সংস্থা নেদায়ে ইসলাম জেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন চেরাআগ