• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে তাঁর প্রতিনিধি (খলিফা) হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তাই মানুষের ওপর যে দায়িত্ব ও আমানত অর্পণ করা হয়েছে, তা রক্ষা ও বিকাশে নিজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ও সামর্থ্য ব্যয় করাই বিস্তারিত...
আব্বাসীয় খিলাফতের প্রারম্ভিক যুগ থেকেই খলিফারা অনুবাদ ও অন্যান্য জাতির জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতি আহরণে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরা বিদেশি ভাষার গ্রন্থগুলোকে আরবি ভাষায় অনুবাদ করার জন্য বিপুল অর্থ
প্রতিটি যুগের মানুষের অন্তরে ছিল অন্তর্নিহিত এক খোঁজ। সেটি সঠিক পথ, ন্যায় ও সত্যের অনুসন্ধানের খোঁজ। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, পথহারা মানুষকে আলোকিত করার জন্য অসংখ্য নবী-রাসুল প্রেরিত হয়েছেন।
মানুষের জীবনে সুখ ও দুঃখের উৎস শুধু সম্পদ বা পদমর্যাদা নয়; বরং কিছু বাস্তব উপাদান আছে, যেগুলো জীবনকে শান্তিময় বা কষ্টকর করে তোলে। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক হাদিসে চমৎকার
মুমিনের সকাল-সন্ধ্যা কাটে জিকিরের মাধ্যমে। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সকাল-সন্ধ্যা জিকির করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তোমার রবকে স্মরণ করো মনে মনে কাকুতি-মিনতি ও ভীতি সহকারে অনুচ্চ স্বরে সকালে ও
মানব সমাজে অন্যায়, জুলুম, প্রতারণা ও স্বার্থপরতার বিস্তার আজ এমন মাত্রায় পৌঁছেছে যে, ন্যায়পরায়ণতার আলো যেন ক্রমেই নিভে যাচ্ছে। অথচ ইসলাম এমন এক ধর্ম, যা মানবাধিকারের প্রতিটি স্তরকে আল্লাহর হক
মানুষের পার্থিব ও অপার্থিব কল্যাণ নিশ্চিত করতেই পৃথিবীতে ইসলামের আগমন। ইসলামের এই কল্যাণকামিতা তার প্রতিটি বিধি-বিধানে প্রতিভাত হয়েছে। ইসলামী অর্থব্যবস্থার এমনই একটি কল্যাণকর দিক হলো অন্যকে প্রাধান্য দেওয়া এবং অন্যের
মিসকীন’ শব্দটি আমাদের সমাজে উচ্চারিত হয় করুণার সুরে, কখনো আবার অবজ্ঞার তির্যক ছোঁয়ায়। কিন্তু ইসলাম এই শব্দের ভেতর লুকিয়ে রেখেছে এক গভীর মর্যাদা, এক আধ্যাত্মিক সৌন্দর্য। যে মানুষ পৃথিবীর চোখে