গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলছে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় রবিবার চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দি গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এরপর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন চিফ প্রসিকিউটর।
গুমের মামলার তদন্ত নিয়ে তিনি বলেন, ‘গুমের শিকার ২৫১ জন বা যারা এখন পর্যন্ত ফেরত আসেননি, তাদের পেছনে একই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা প্রায় ঘুরেফিরে পাওয়া যাচ্ছে।এ কারণে গুমের এসব ঘটনাকে আমরা ওয়াইড স্প্রেড (ব্যাপক মাত্রায়) ও সিস্টেমেটিক (পদ্ধতিগত) অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে এটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছি।’
ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা নিয়ে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘কিছু কিছু আসামির গতিবিধি, তৎপরতা সন্দেহজনক লেগেছে। কিছু কিছু গোপন তথ্য আছে যে, তারা (কিছু আসামি) যেকোনো স্যাবোটেজ বা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারেন।’
এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর এক ব্রিফিংয়ে নাশকতার ‘গোপন তথ্য’ রয়েছে উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়ানোর কথা বলেছিলেন চিফ প্রসিকিউটর।