র্যাব কর্মকর্তা আরো বলেন, হামলাকারীদের বেশিরভাগই কিশোর গ্যাং সংশ্লিষ্ট এবং মাদক সংক্রান্ত এটা আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি। আলাউদ্দিন নিজে ওখানে আলতাফের উপরে আঘাত করেছে। জিহাদ নিজে চাকু দিয়ে আঘাত করে জখম করেছে। আপন ওখানকার গ্যাংয়ের মূল হোতা বলা যায়, তার বিরুদ্ধে তিনটা মাদক মামলাও আমরা পেয়েছি। সে এসএস পাইপ দিয়ে আলতাফের মাথায় চরমভাবে আঘাত করে। ইমরান গণপিটুনিতে অংশ নেয়।
এ সময় র্যাব কর্মকর্তা আসাদুজাজামান ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৯ ধারার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমলযোগ্য অপরাধ হলে শুধু পুলিশ না, সাধারণ মানুষও অপরাধীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করতে পারে।’
এছাড়া কোনো সমস্যা হলে নাগরিকদের এগিয়ে না এসে ছবি তোলা ও ভিডিও করার প্রবণতায় হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি। তার কথায় এ ধরনের মানসিকতা মানুষের ‘নৈতিক স্খলনের বহিঃপ্রকাশ’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে এসআই আলতাফ হোসেন (৫৮) হত্যার ঘটনায় মূল হোতাসহ এজাহারনামীয় ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানা থেকে রিমান্ড আবেদন করে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। সাভারের আমিনবাজার ও মুন্সীগঞ্জ সদর থানাধীন লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মূলহোতা জহিরুল ইসলামকে ১০ দিনের এবং বাকি ৮ জনকে ৭ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলো- সাভারের আমিন বাজার এলাকার মোজাম্মেলের ছেলে আলাউদ্দিন (২৬), সামসুলের ছেলে আপন (৩০), সামসুলের ছেলে জিহাদ (২০), মৃত নজরুলের ছেলে ইমরান (২৬), মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪), মো. বজলু শেখের ছেলে মো. রাকিব মিয়া (২৮), মৃত হালিম মিয়ার ছেলে ছাব্বির আহম্মেদ (২৪) এবং মো. জিন্নত আলীর ছেলে মো. ওয়াসিম (৪০)।
এদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।