দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ‘ইউরিয়া সারের ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে কোনো তারতম্য নেই। নন-ইউরিয়া সার, এই সিজনের পরের সিজনে যেটা লাগবে, রবি শস্যের জন্য, আলু-সরিষা-ভুট্টার জন্য, কিছু কৃষকের অগ্রিম মজুত করার জন্য, অগ্রিম কিনে রাখার জন্য একটু সমস্যা তৈরি হয়েছে।’
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কিছু কৃষক অগ্রিম সার কিনতে যাওয়ায় এবং দু-একজন ডিলার সময়মতো সার উত্তোলন ও বিতরণ না করায় সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। যেসব ডিলার সার উত্তোলন বা বিতরণে দেরি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারকে হেয় করার উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে, সেসব ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কৃষকদের আশ্বস্ত করে মীর শাহে আলম আরও বলেন, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ডিলারদের মাধ্যমেই কৃষকেরা সার পাবেন। কোন ফসলের জন্য কখন কতটুকু সার প্রয়োজন, সেই হিসাব সরকারের কাছে রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী যথাসময়ে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বিল্লাল হোসেন, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম তাজুল ইসলাম, মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন। শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার কৃতী শিক্ষার্থীদের গাছের চারা ছাড়াও ব্যাগ, মগ, সনদ ও ফুল উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া কিশোরীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতার জন্য ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে ছাত্রীদের মধ্যে বিতরণের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।