এই ঘটনার পর মানসিকভাবে বেশ ধাক্কা খেয়েছেন স্টোকস। নিজের টেস্ট অধিনায়কত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবছেন তিনি। যদি স্টোকসকে বাদ দেওয়া হয় বা তিনি নিজে সরে দাঁড়ান, তবে ওভাল টেস্টে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিতে পারেন সহ-অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক।
পুরনো অভ্যাসে ডুবল ইংলিশ ক্রিকেট!
ইংলিশ ক্রিকেটারদের জন্য মদ্যপান আর নাইটক্লাব বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ২০১৭ সালে ব্রিস্টলে এক নৈশকালীন মারামারির ঘটনায় ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় হারিয়েছিলেন স্টোকস। আদালত থেকে খালাস পেলেও ইসিবি তাকে জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। গত বছর স্টোকস দাবি করেছিলেন তিনি মদ ছেড়ে দিয়েছেন, কিন্তু লর্ডস টেস্টের পরই আবার সেই পুরনো ফাঁদে পা দিলেন।
এমনকি গত অ্যাশেজ সফরেও ক্রিকেটারদের বেসামাল আচরণের কারণে মাঝরাতে ‘কারফিউ’ জারি করতে বাধ্য হয়েছিল ইসিবি। সেবার বাউন্সারের সাথে ঝামেলায় জড়িয়ে হ্যারি ব্রুক এবং নোসার এক ক্যাফেতে মাতাল অবস্থায় ভিডিওবন্দী হয়ে বেন ডাকেট চরম সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
অ্যাশেজের সেই কলঙ্কজনক অধ্যায়ের পর দলের ডিরেক্টর রব কি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ইংল্যান্ড দলে কোনো ‘মদ পানের সমস্যা’ নেই, তবে কিছু খেলোয়াড় সুযোগ পেলে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন। ক্রিকেটারদের লাগাম টানতে নতুন সংস্কৃতি ও কড়া নিয়ম চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইসিবি।
কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককালামও দায়িত্ব নেওয়ার পর ছেলেদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এমন কিছু করো না যাতে খবরের কাগজের প্রথম পাতায় নাম ওঠে। মনে রেখো, মধ্যরাতের পর ভালো কিছু ঘটে না।’
কিন্তু কোচের সেই অমর বাণী যেন কানেই তোলেননি স্টোকস-অ্যাটকিনসনরা। লর্ডসের গৌরবময় জয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় ইসিবিকে আবারও লজ্জার সাগরে ডুবিয়ে কাগজের প্রথম পাতার ‘হেডলাইন’ হলেন তারা।