
সন্ধ্যা ৭টায় ছায়ানট মিলনায়তনে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানের সূচনায় ছিল তানিয়া মান্নানের ‘নেপথ্যকথন’।

প্রযোজনাটির সংগীত পরিচালনা করেন এ.টি.এম. জাহাঙ্গীর। সার্বিক পরিকল্পনা ও সজ্জায় ছিলেন শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবলা, মন্দিরা, সেতার, কিবোর্ড, বাঁশি ও এসরাজের সজীব যন্ত্রানুষঙ্গ মঞ্চে গড়ে তোলে রবীন্দ্রনাথের সুরনাট্যের অনুকূল আবহ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও দর্শন ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এক অবিচ্ছেদ্য সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধ তৈরি করেছে। তাঁর মানবতাবাদ, শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা আজও দুই দেশের মানুষের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং আগামী প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে।

সন্ধ্যার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শক।
প্রয়াণ দিবসের দুটি পৃথক আয়োজন যেন আবারও মনে করিয়ে দিল, রবীন্দ্রনাথ কেবল স্মৃতির নন, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনার এক অনিবার্য ও জীবন্ত উপস্থিতি। সময় বদলায়, প্রজন্ম পাল্টায়; কিন্তু তাঁর গান, কবিতা ও নাট্যভাবনা প্রতিটি যুগে নতুন ব্যাখ্যায় ফিরে এসে মানুষকে মানবিকতা, সৌন্দর্যবোধ ও শিল্পের চিরন্তন শক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।