মেসির এই কীর্তির জবাব দিতে সময় নেননি কিলিয়ান এমবাপ্পেও। আবহাওয়া বিপর্যয়ের কারণে বিঘ্নিত ম্যাচে ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন এই ফরাসি তারকা। আর এই ম্যাচ দিয়েই নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখলেন এমবাপ্পে।
দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর এমন পারফরম্যান্সের পর চুপ করে বসে থাকেননি নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডও। সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নরওয়েকে শেষ ৩২-এ তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।
নিজের প্রথম বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শুরুটা এর চেয়ে দুর্দান্ত বোধহয় হতেই পারত না হালান্ডের।
একজন গোল করলে যেন অন্যজন তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পণ করেছেন। বিশ্বমঞ্চে সেরাদের এই দ্বৈরথ ফুটবলপ্রেমীদের এক অন্যরকম রোমাঞ্চ দিচ্ছে। আর এই লড়াইয়ের উত্তাপ আরও বাড়তে পারে আজ মঙ্গলবারই। ঘানার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে জোড়া গোল করা ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন আজ আবার মাঠে নামছেন নিজের গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে।
সেরাদের এই অবিশ্বাস্য গোলক্ষুধা নিয়ে ফরাসি ফুটবল বিশেষজ্ঞ জুলিয়েন লরেনস বিবিসি স্পোর্টসকে বলেন, ‘বড় তারকাদের তাড়নাটাই আলাদা, তারা সবসময় বল নিজের পায়ে চায়। আমার মনে হয়, তারা কেবল এবারের গোল্ডেন বুটের পেছনেই ছুটছেন না; তাদের মধ্যে কয়েকজন বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলদাতার রেকর্ড ভাঙার লক্ষ্যেই মাঠে নামছেন।’
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের মাত্র শুরু, তাতেই যেভাবে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে চুরমার হচ্ছে, তাতে গোল্ডেন বুটের এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।