দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, শিশু নন্দিনীর হত্যাকান্ড নিষ্ঠুর, নির্মম ও নৃশংস এক ঘটনা; কোনো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এমন বর্বরোচিত কান্ড ঘটাতে পারে না।
তিনি জানান, প্রশাসন ইতোমধ্যে হত্যাকারীকে গ্রেফতার করেছে। এবং জানা গেছে, আসামী হত্যাকান্ডে সম্পৃক্ততার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।তিনি এ জঘন্যতম হত্যাকান্ডের ন্যায় বিচার নিশ্চিতে সকল পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেন।বৃহস্পতিবার সকালে আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ভেলাবাড়ি ইউনিয়নে নিহত শিশু নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
সংসদ চলমান থাকা সত্বেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও নিজের বোধ ও তাগিদ থেকে তিনি এবং লালমনিরহাট সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান ও রোকন উদ্দিন বাবুল এখানে এসেছেন বলে মন্ত্রী জানান।
আসাদুল হাবিব বলেন, যারা মব সৃষ্টি করে এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করেছেন, জেলা প্রশাসকসহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন, জনমনে ত্রাশ ও ভীতির সঞ্চার করেছেন তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, একেএম মোমিনুল হকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: ১৬ জুন (মঙ্গলবার) সকালে আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের নিখোঁজ হওয়া ৭ বছরের শিশু নন্দিনী রানীর বস্তাবন্দী মরদেহ ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়।স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থানীয় এক মাদকাসক্ত বিধান চন্দ্র শিশুটিকে হত্যা করে।
অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। জনতা জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও ওসিসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রায় ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে এবং ডিসির গাড়িসহ ০৭টি গাড়ি ভাঙচুর করে।