বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিবাকর সমদ্দার বলেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে সংগঠনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রস্তুতি নিয়েছেন। মণ্ডপের সাজসজ্জা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, অতিথি আপ্যায়ন ও সম্মাননা আয়োজনের জন্য পৃথকভাবে কাজ করা হচ্ছে। এর আগে সংগঠনটির দশম মহালয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি দিলীপ দত্ত বলেন, তিন দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ পূজা অ্যাসোসিয়েশন সিডনিতে বাঙালির ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে কাজ করছে। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনের সাবেক নেতৃত্বের অবদানকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি কমিউনিটির জন্য কাজ করা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
আয়োজকদের মতে, দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন অটুট রাখারও একটি উপলক্ষ। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য, ধর্মীয় রীতিনীতি ও উৎসবের আনন্দ তুলে ধরতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুই দিনের এ উৎসবে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা, পরিবার-পরিজনের মিলন এবং নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে পূজামণ্ডপ—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা।