চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে পিএসজির মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে যখন গোল উৎসব চলছিল তখন গ্যালারিতে বসে থাকা একজনের জন্য বিষয়টা ছিল বেশ যন্ত্রণার। তিনি বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কম্পানি। ডাগআউটে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বায়ার্ন মিউনিখের এই কোচকে মঙ্গলবার রাতে গ্যালারির মিডিয়া বক্সে বসে হজম করতে হয়েছে ৫-৪ গোলের হার। ম্যাচ শেষে কম্পানি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ডাগআউট থেকে দূরে থাকার এই অভিজ্ঞতা তার কাছে মোটেও ‘মজাদার’ ছিল না।
তিনটি হলুদ কার্ডের কারণে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ডাগআউটে দাঁড়াতে পারেননি কম্পানি। কানের ইয়ারপিস লাগিয়ে সহকারী অ্যারন ড্যাঙ্কসকে নির্দেশনা দিলেও নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হয়েছে তার। ম্যাচ শেষে প্রাইম ভিডিওকে কম্পানি বলেন, ‘গ্যালারিতে বসে থাকা মোটেও আনন্দের কিছু নয়। আমার জীবনে এমনটা আর কখনো না ঘটলে আমি খুশি হব।
৮০ মিটার দূর থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।’পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে এই ম্যাচকে তার কোচিং জীবনের সেরা ম্যাচ বলে মন্তব্য করেছেন। অতীতে এনরিকে কৌশলগত আলোচনার জন্য মাঝেমধ্যে স্বেচ্ছায় গ্যালারিতে বসতেন, কিন্তু কোম্পানি সেই ধারণার সঙ্গে একমত নন। বেলজিয়ান এই কোচ বলেন, ‘আমি জানি না কেন তিনি এমনটা করেন।
আমি নিজে কখনোই তা করব না।’ম্যাচের শুরুটা ভালো হওয়ায় গ্যালারিতে কোম্পানির মুখে হাসি দেখা গেলেও পিএসজি যখন ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়, তখন বেশ বিবর্ণ দেখা যায় তাকে। তবে ৩ গোলে পিছিয়ে থেকেও যেভাবে তার দল লড়াইয়ে ফিরে ৪-৫ ব্যবধান করেছে তাতে খেলোয়াড়দের মানসিকতার প্রশংসা করতে ভুল করেননি বেলজিয়ান এই কোচ।নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে কোম্পানি আগামী বুধবার দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে পুনরায় ডাগআউটে ফিরবেন। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের জয়ের চেয়েও আরও উত্তাল পরিবেশ তিনি মিউনিখে আশা করছেন।সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কোম্পানি বলেন, ‘মাদ্রিদ ম্যাচে যে উন্মাদনা ছিল, আমার তার চেয়েও বেশি কিছু চাই। মিউনিখে গ্যালারি যেন শান্ত না থাকে।‘
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..