এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন জানান, যে কক্ষটি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জেমস অবস্থান করেননি।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দলের জন্য মোট চারটি কক্ষ নেওয়া হয়েছিল। জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে, আর রবিন ছিলেন ২৪৬ নম্বর কক্ষে। বিতর্কিত ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন দলের অন্য একজন সংগীতশিল্পী।
রবিন বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫৪৯ নম্বর কক্ষে ছিলেন দলের অন্য এক মিউজিশিয়ান। তাই একজনের কক্ষের অবস্থার দায় জেমসের ওপর দেওয়া ঠিক হবে না। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা। তাঁকে নিয়ে এ ধরনের মিথ্যাচার কারও কাছেই কাম্য নয়।’
হোটেলের নিয়ম না মেনে কিংবা রিসেপশনে যোগাযোগ না করেই কক্ষ ছাড়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।
রোমের ওই কনসার্ট ঘিরে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও তুলেছেন ইতালির আয়োজক হোসাইন আহমেদ। তাঁর দাবি, কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে হিসাবের জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব অর্থের হিসাব দিতে রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় পুলিশ ডাকা হয়েছিল বলেও জানান আয়োজক।
তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে জেমসের পক্ষ। রবিনের দাবি, কনসার্ট আয়োজনের আগে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি হয়েছিল এবং চুক্তি লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।