ইমরান জানান, ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি বিকেলে পরিবারের সবার সাথে পিৎজা খাওয়ার সময় ৩ বছর বয়সী আয়ানের প্রস্রাবে রক্ত দেখা যায়। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে ডাক্তারের কাছে গেলে জানা যায়, আয়ানের
কিডনিতে প্রথম পর্যায়ের ক্যান্সার (উইলমস টিউমার) ধরা পড়েছে। পরদিনই তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং শুরু হয় কেমোথেরাপি। মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে পুরো জীবন ওলটপালট হয়ে যায় এই অভিনেতার।টানা পাঁচ বছরের চিকিৎসা ও মানসিক উদ্বেগের পর অবশেষে ২০১৯ সালে আয়ানকে পুরোপুরি ক্যান্সারমুক্ত ঘোষণা করা হয়। নিজের জীবনের এই কঠিন লড়াই ও ছেলের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে পরবর্তীতে ‘দ্য কিস অব লাইফ : হাউ আ সুপারহিরো অ্যান্ড মাই সান ডিফিটেড ক্যান্সার’ নামের একটি বইও প্রকাশ করেন ইমরান হাশমি।