গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে মোজাফফরকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমান হত্যার সময় তার কাছাকাছি ছিলেন মোজাফফর। ঘটনার পর নথিপত্র তল্লাশি ও মরদেহ সরানোর কাজেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
একই সঙ্গে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে কার কী ভূমিকা ছিলো, তা নিয়েও অনুসন্ধান চলছে। তদন্তকারীরা চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছেন।
পুনঃতদন্তে মেজর জেনারেল মঞ্জুরের মৃত্যুর ঘটনাটিও গুরুত্ব পাচ্ছে। জিয়া হত্যার পর গ্রেফতার হওয়া মঞ্জুরকে কেন পুলিশ হেফাজত থেকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল এবং পরে তিনি কীভাবে নিহত হন, সেসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে।
এ ছাড়া তদন্তে একটি কথিত ‘সিক্রেট পেপার’-এর বিষয়ও সামনে এসেছে। জিয়াউর রহমানের কাছে থাকা ওই নথি হত্যার পর কেন খোঁজা হয়েছিল, সেটিও তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডে লেফটেন্যান্ট মোসলেহ উদ্দিন, মেজর ফজলুল হক, ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মো. মুনির ও ক্যাপ্টেন মো. ইলিয়াসের সম্পৃক্ততার বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষ প্রসিকিউটর।