শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বড় বিজরা এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে জরেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে র্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফিন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ‘আশরাফুল হক ও ফরেজুল ইসলাম জরেজ বন্ধু ছিলেন।আশরাফুলের কাছে অনেক টাকা-পয়সা আছে এটা জরেজ জানতেন। তাই তাকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করে। নিজের প্রেমিকা শামীমাকে কাজে লাগান তিনি। তারা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেছিলেন।এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এক মাস ধরে শামীমা মোবাইল ফোনে আশরাফুলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন।গত ১১ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে ব্যবসা-সংক্রান্ত পাওনা আদায়ের কথা বলে জরেজ আশরাফুলকে রংপুর থেকে ঢাকায় ডেকে আনেন। ঢাকায় এসে পরদিন ১২ নভেম্বর তিনজন মিলে শনিরআখড়ার নূরপুর এলাকায় সাড়ে ৫ হাজার টাকায় একটি বাসা ভাড়া নেন।
র্যাব জানায়, ব্ল্যাকমেইল করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল অভিযুক্তদের। তবে কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল কি না, তা প্রধান আসামি জরেজকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে। গ্রেপ্তার শামীমাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।