মেক্সিকোর আরেক সংবাদমাধ্যম অ্যানিমেল পলিটিকোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ সামনে রেখে দেশটির ১০টি অপরাধী চক্রের মধ্যে ৯টিই এখন জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা বা পতিতাবৃত্তি থেকে মুনাফা লুটছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ব্যবসার পাশাপাশি মানবপাচার এখন কার্টেলগুলোর অন্যতম প্রধান আয়ের উৎস। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, এই কালোবাজারি ব্যবসার বৈশ্বিক মূল্য বছরে প্রায় ৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (১২ লাখ ১৭ হাজার ১৩ কোটি টাকা)।
মাদক চক্রগুলো নারীদের শুধু যৌন কাজেই বাধ্য করছে না, বরং অনেক ক্ষেত্রে তাদের দিয়ে মাদক পাচার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের ওপর নজরদারির কাজও করাচ্ছে বলে দাবি করেছে অ্যানিমেল পলিটিকো।