১।ঘুম থেকে উঠেই ফোন নয়:চোখ খুলেই ফোন স্ক্রল করা, মেসেজ কিংবা ইমেইল দেখার অভ্যাস মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। ঘুম ভাঙার পরপরই মন তথ্যের ভিড়ে ঢুকে পড়লে দিনের মূল কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট ফোন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। সকালে মুখে পানির স্পর্শ অনুভব করা, জানালায় চোখ রাখা কিংবা এক কাপ চা-কফি ধীরে ধীরে পান করার মাধ্যমে দিন শুরু করতে পারেন।এতে শরীরের ‘কর্টিসল’ বা স্ট্রেস হরমোন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
মনোযোগ ধরে রাখার সাথে শারীরিক সক্রিয়তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। হালকা ব্যায়াম, স্ট্রেচিং কিংবা ১০-১৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলে শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়ে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে মনকে সতেজ রাখে। সতেজ সকালের জন্য কঠিন কোনো ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই, সামান্য হাঁটাচলা বা সহজ স্ট্রেচিংই যথেষ্ট।
দিনের শুরুতেই একসাথে অনেক কাজের কথা ভাবলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই ইমেইল বা কাজের তালিকা খোলার আগেই দুই মিনিট সময় নিয়ে সেদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি, তা চিহ্নিত করে লিখে ফেলুন। সব কাজ একদিনে শেষ করার চাপ না নিয়ে প্রথমে প্রধান কাজটিতে মন দিন, সেটি শেষ হলে পরের কাজে হাত দিন।
৪। পুষ্টিকর নাস্তা নিশ্চিত করা:
সারা রাত পেটে কিছু না থাকায় সকালে শরীরে শক্তি জোগানো জরুরি। সকালে পর্যাপ্ত নাস্তা না খেলে ক্লান্তি বাড়ে এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই সকালে ভালোভাবে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, বিশেষ করে ফাইবার ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার তালিকায় রাখা উচিত।
৫। পর্যাপ্ত পানি পান করা:
রাতের দীর্ঘ ঘুমের পর সকালে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। আর পানিশূন্যতা তৈরি হলে ক্লান্তি, বিরক্তি ও ঝিমুনির সাথে মনোযোগের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস তৈরি করুন। প্রয়োজনে বিছানার পাশে পানির বোতল রাখতে পারেন, যাতে সহজেই পানি পান করা যায়।