মানুষের জীবনে দুশ্চিন্তা, পেরেশানি ও মানসিক অস্থিরতা নতুন কোনো বিষয় নয়। কখনো ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, কখনো জীবিকার সংকট, কখনো পারিবারিক জটিলতা, আবার কখনো অকারণ ভয় ও উদ্বেগ মানুষের হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করে বিস্তারিত...
ইসলামে যেমন ইবাদত-বন্দেগির গুরুত্ব রয়েছে, তেমনি সুস্থ দেহ গঠনের জন্য বৈধ খেলাধুলা ও শরীরচর্চারও অনুমোদন রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও দৌড় প্রতিযোগিতা, তীরন্দাজি ও ঘোড়দৌড়ের মতো বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনকে উৎসাহিত করেছেন।
মানুষের জীবনে বিয়ে শুধু একটি সামাজিক বন্ধন নয়; বরং এটি ভালোবাসা, দায়িত্ব, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক পবিত্র সম্পর্ক। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে দুনিয়ার জীবনেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং জান্নাতেও এই
একটি সুখী পরিবার শুধু চার দেয়ালের একটি ঘর নয়; এটি ভালোবাসা, মমতা, শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার এক প্রশান্তির আশ্রয়স্থল। বর্তমান সময়ে দাম্পত্য কলহ, ভুল বোঝাবুঝি ও সম্পর্কের দূরত্ব যখন বেড়েই
ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওমর (রা.) আমাকে বদরি বড় বড় সাহাবিদের মজলিসে নিতেন। তাঁদের মধ্যে কিছু লোক তখন মনে মনে মনখারাপ করতেন। ফলে কেউ বললেন, সে আমাদের
বর্তমান যুগে ‘একাধিক বিবাহ’ বা ‘বহুবিবাহ’ শব্দটি অনেকের কাছে যেন একটি রোমান্টিক কল্পনা, ব্যক্তিগত ভোগবিলাস কিংবা সীমাহীন চাহিদা পূরণের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ কেউ ইসলামের মহান বিধানকে নিজেদের প্রবৃত্তির হাতিয়ার
বর্তমান যুগকে বলা হয় তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ। পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ আজ ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এক্স (টুইটার), টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। প্রযুক্তির এই বিস্ময়কর অগ্রগতি মানবজীবনকে যেমন
পরিবার মানবসমাজের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ গঠনের ভিত্তি হলো একটি সুসংগঠিত পরিবার।কিন্তু বর্তমান সময়ে পারিবারিক কলহ, বিচ্ছেদ, অবিশ্বাস, দায়িত্বহীনতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে