আমরা প্রায়ই শুনি—রাগী মানুষদের মন নাকি খুব ভালো। কথাটা শুনতে সুন্দর। কিন্তু সেই ভালো মন যদি এক মুহূর্তের রাগে অন্যের মনে দাগ কেটে দেয়, তাহলে সেই ভালো মন দিয়ে আসলে বিস্তারিত...
আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় মস্তিষ্ক সচল থাকতে পুরোপুরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু মস্তিষ্ক নিজে গ্লুকোজ তৈরি বা জমা রাখতে পারে না। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে
গরমে শরীরকে ঠাণ্ডা ও সতেজ রাখতে অনেকেই হালকা খাবারের খোঁজ করেন। এমন সময়ে সাবুদানা হতে পারে ভালো একটি বিকল্প। এটি শরীরে শক্তি জোগায়, একই সঙ্গে হাইড্রেটেড রাখতেও সাহায্য করে। সাবুদানার
পুষ্টিগুণে ভরপুর মধু শুধু শীতকালেই নয়, সারা বছরই খাওয়া যায়। এটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অনেকে সর্দি-কাশি কমাতে মধু খান, আবার কেউ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হালকা গরম পানির সঙ্গে মধু
আধুনিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার স্ক্রিন। কিন্তু এই প্রযুক্তি নির্ভরতার আড়ালে নীরবে বাড়ছে এক স্বাস্থ্যঝুঁকি। এর নাম চোখের শুষ্কতা বা ড্রাই আই সিন্ড্রোম। বিশ্বজুড়ে দ্রুত
দিন দিন বাড়ছে গরম, তার সঙ্গে বাড়ছে আর্দ্রতাও। রোদে বাইরে বেরোলেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এই গরমেও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে ফেটে যাচ্ছে, যেন শীতকাল! তাই মুখ, হাত-পায়ের
গরমে ঘাম হওয়া শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া—এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াই হয়ে ওঠে অস্বস্তির কারণ, বিশেষ করে যখন অতিরিক্ত ঘামে মুখ ও