মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়ে তিনি বলেন, বিষয়গুলো তার আইনজীবীরাই দেখছেন।কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি জামিনের সুযোগ নেই, তদন্ত শেষে রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ হবে।
কী ধরনের নিরাপত্তা চান—এ প্রশ্নে সাকিব বলেন, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি স্বাভাবিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চান।
তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা তো লাগেই। মব হতে পারে, যেকোনো সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে, কত কিছুই তো হতে পারে। মানুষের কিছু রাগ থাকতেই পারে। বা কেউ ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু করতে পারে। আমি বুঝি, গ্যারান্টি দিলেও অনেক সময় অনেক কিছু ঘটে, সেটা অন্য জিনিস। তারপরও একটা আছে না যে কেউ আশ্বাস দিয়ে বলছে, বিপদ হলে দেখবে বা অন্তত আমার একটা বলার জায়গা থাকা। এটুকু অনুরোধ তো আমার থাকতেই পারে।’
মামলার কারণে দেশে এলে গ্রেপ্তারের শঙ্কা আছে কি না—এ প্রশ্নে সাকিবের জবাব ছিল স্পষ্ট। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তারের ভয় দেখছেন না তিনি।
সাকিব বলেন, ‘বিষয়গুলো এখন যেখানে আছে, সেখানে গ্রেপ্তারের কোনো ভয় আছে বলে আমার মনে হয় না। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাটাই একমাত্র সমস্যা। তারপরও যদি জোর করে কেউ কিছু (গ্রেপ্তার) করতে চায়, সেখানে তো আসলে আমার কিছু করার নেই। ওটা নিয়ে চিন্তাও নেই আমার। গ্রেপ্তার হওয়াটা সমস্যা না।’