আজ শনিবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সব শিক্ষার্থীকে প্রথাগতভাবে কেবল চিকিৎসক কিংবা প্রকৌশলী হতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট দর্শন হলো রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধা, মনন ও পছন্দের ক্ষেত্রে বিকশিত হওয়ার সমান সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর যারা কর্মজীবনে প্রবেশ করতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য তিন মাস, ছয় মাস কিংবা এক বছর মেয়াদি আধুনিক কারিগরি শিক্ষা, ভোকেশনাল কোর্স ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষার পথ উন্মুক্ত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন, তাঁরা যেন বিজ্ঞান, মানবিক কিংবা ব্যবসায় শিক্ষা, যার যার পছন্দের বিষয়ে পড়ার অনুকূল পরিবেশ পান, সে ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সরকারের সামগ্রিক শিক্ষা ভাবনার মূল লক্ষ্য হলো মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক সুনাগরিক গড়ে তোলা উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, যারা কেবল একটি পরিবারের সচ্ছলতাই আনবে না, বরং আগামী দিনে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সম্মুখ সারিতে নেতৃত্ব দেবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন রিমন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব কেরামত আলীসহ সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।