এজন্য মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে তার আদেশ-নিষেধ মেনে চলার পাশাপাশি পরকালে সফল হতে রাসুল (সা.) এর আদর্শ ও তার দেখানো পথ অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষ্য, শরিয়তে এর কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি সাহাবায়ে কেরামরাও কখনো ১২ রবিউল আউয়ালকে খুশি কিংবা শোক দিবস হিসেবে পালন করেননি। সুতরাং, এই দিবসকে কেন্দ্র করে কোনোরূপ উদ্যাপন শরিয়তসম্মত নয়।
মনে রাখতে হবে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ আমাদের শরিয়তে সংগত নয়—এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে, তা প্রত্যাখ্যান করা হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৫১৭)
উল্লেখ্য, আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপিত হবে। গত ১৩ আগস্ট সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানানো হয়। দিনটিতে সরকারি ছুটি থাকবে।