নবীযুগে মদিনায় নবী (সা.) অর্থের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন—অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার, মুসলিম সমাজের কল্যাণ ও সেবা। মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন—অর্থ অর্জন ও ব্যয় হোক বৈধ ও ন্যায্য উপায়ে এবং অন্যায়, জবরদস্তি, বিস্তারিত...
মানবজীবন এক দীর্ঘ যাত্রাপথ। এই যাত্রা কখনো সমতল, কখনো পাথুরে, কখনো আঁকাবাঁকা। মানুষ নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে যতই এগিয়ে যেতে চায়, তবুও অনেক ক্ষেত্রে সে বিভ্রান্ত হয়, পথ হারায়।
জামাতে নামাজ আদায় করার সময় কারো অজু ছুটে গেলে নিয়ত ছেড়ে দিয়ে রুকু-সিজদায় ইমামের অনুসরণ করা হয় তাহলে তা জায়েজ হবে কি? একটি কিতাবে তা জায়েজ বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের মসজিদের
পিতার আনুগত্য ও সেবা করা জান্নাত লাভের শ্রেষ্ঠ পথ। নিচের হাদিসটি দেখুন- عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، سَمِعَ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ “ الْوَالِدُ أَوْسَطُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ فَأَضِعْ ذَلِكَ
নিচের হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন। যেখানে দানশীলতা পুরস্কার ও কৃপণতার পরিণতি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله
মানবীয় দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করে বিধানের ক্ষেত্রে সহজীকরণ ইসলামী শরিয়তের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আল্লাহ তাআলা বলেন : وَ مَا جَعَلَ عَلَیۡكُمۡ فِی الدِّیۡنِ مِنۡ حَرَجٍ ؕ مِلَّۃَ اَبِیۡكُمۡ