• সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
ঈমান হলো মানুষের অন্তরের আলো, যা তাকে সৎপথে পরিচালিত করে এবং গুনাহ থেকে বিরত রাখে। কিন্তু যখন মানুষ বড় গুনাহে লিপ্ত হয়, তখন সেই ঈমানের আলো ম্লান হয়ে যায়, তার বিস্তারিত...
মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি
কোরআন নবী করিম (সা.)-এর উত্তম আদর্শকে আমাদের জন্য অনুপম শিক্ষা হিসেবে সমুজ্জ্বলভাবে তুলে ধরেছে। তিনি ছিলেন সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী, স্বভাবে ছিলেন সবচেয়ে কোমল, আল্লাহর কাছে ছিলেন সবচেয়ে সম্মানিত এবং ইবাদতে
অন্যের অধিকার হরণ করা, দুর্বলকে শোষণ করা কিংবা আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করার ভয়াবহতা কত কঠিন নিচের হাদিসের ভাষ্যে দেখুন- عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه
বিজ্ঞান যতই এগিয়ে যাচ্ছে, নতুন নতুন গবেষণায় প্রমাণিত হচ্ছে, রাসুল (স.)-এর জীবনাচরণের মধ্যে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক গবেষণালব্ধ তথ্য নিহিত রয়েছে। এ ব্যাপারে কিছু বিষয় সংক্ষেপে আলোচনা করছি। খাদ্যাভ্যাস : রাসুল
রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন মানবজাতির জন্য প্রেরিত এক সর্বোত্তম আদর্শ। তিনি শুধু একজন মহান ধর্মীয় নেতা ছিলেন না, বরং একজন পরম স্নেহময় পিতাও ছিলেন। তাঁর পারিবারিক ও পিতৃত্বের দিকটি প্রতিটি মুসলিম
মুসলমানদের মধ্যে পরস্পর ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা অন্যতম ইবাদত। এটা মহান আল্লাহ প্রদত্ত বিধান। মুসলমানদের উচিত সার্বক্ষণিক এই ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করা, কখনো কারো মধ্যে মতভেদ দেখা দিলে অন্যদের দায়িত্ব
ইসলাম মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চায়। শান্তি, স্থিতি ও সমৃদ্ধির জন্য যেসব কাজ হুমকি—তা ইসলামে নিষিদ্ধ। বিশেষত, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং মানুষের জান-মালের ক্ষতি হয় এমন সহিংস ও বিধ্বংসী