• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
/ মতামত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর ও দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথের ওপর নজর রেখেছে ভারত। চীন, বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডর তৈরির বিষয়ে ওই সফরে যে কথাবার্তা হয়েছে, বিস্তারিত...
দীর্ঘ ২০ বছর পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন ভিসানীতির খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে খসড়া ভিসানীতিতে আগে যেসব দেশ কালো তালিকাভুক্ত ছিল, সেগুলো আগের মতোই রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদের
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরো তিন বছর বাড়ানোর উদ্যোগকে বিলম্ব হিসেবে না দেখে টেকসই ও সুশৃঙ্খল উত্তরণের অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি
অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকার চায় অতীত ও বর্তমান সব সময়ের দুর্নীতির অভিযোগ সমানভাবে তদন্তের
চার দিনের চীন সফর শেষে দেশে ফিরিয়াছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রিত্বের দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরস্বরূপ গত ২২ জুন তিনি তথায় যান। সেইখানে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং
অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-চায়না অ্যালামনাইয়ের প্রেসিডেন্ট মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বেইজিং, হংকং, লন্ডন,
মঙ্গলবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে দলীয় এক কর্মসূচি চলাকালে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা যেইভাবে চার সাংবাদিকের উপর হামলা করিয়াছেন, উহা ন্যক্কারজনক। দলটি যদিও উক্ত ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ এবং দায়ী নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য মালয়েশিয়া ও চীন। বর্তমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চলমান এই সফরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহুমাত্রিক। নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই