• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
/ ধর্ম-ইসলাম
মানুষের জীবনের অত্যন্ত মূল্যবান এক সম্পদ হচ্ছে সময়। সময়কে যে যত বেশি কাজে লাগাতে পারে সে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জাহানের তত সাফল্য অর্জন করতে পারে। অথচ এই মূল্যবান সময়ের বিস্তারিত...
প্রতিবছর ১১ অক্টোবর “বিশ্ব কন্যাশিশু দিবস” পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুর অধিকার, নিরাপত্তা ও শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতে। আধুনিক সমাজে এই দিনটি অনেক মানবিক আহ্বানের প্রতীক হলেও, চৌদ্দশত বছর আগে ইসলাম
এ কথা সত্য যে, নবুওয়াতের আলো পৃথিবী থেকে জাহিলিয়াতের অন্ধকার মুছে দিয়েছে। কিন্তু মানুষ স্বভাবগতভাবে পুরনো প্রথার আকর্ষণে ফিরে যেতে চায়। তাই রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে বলেছিলেন, তাঁর উম্মতের মধ্যেও
মানবসভ্যতার ইতিহাসে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি একাই গোটা যুগের চিন্তাধারাকে পাল্টে দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তাওহীদের প্রতীক, শিরকের অন্ধকারে আলোর দিশারি। কিন্তু তাঁর নিজ পিতা—আযর—ছিলেন মূর্তি নির্মাতা
রাজধানীর পল্লবীতে দারুল হাবীব (সা.) মাদরাসা ও এতিমখানার নবনির্মিত ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ঢাকা-১৬ আসনের গণমানুষের
ইসলাম মানবতার ধর্ম। সাম্যের ধর্ম। ইসলাম আমাদের সর্বত্র কৃতজ্ঞতাবোধের শিক্ষা দেয়। কেউ কারো উপকার করলে তার জন্য নিম্নের দোয়া পাঠ করে তার জন্য আল্লাহর কাছে বিনিময় কামনা করা যেতে পারে-
জ্ঞানের মূল উৎস ‘ওহি’ এবং প্রিয় নবী (সা.)-এর ‘সুন্নাহ’। ‘আইয়ামে জাহিলিয়াতে’ শিক্ষিত ছিলেন মাত্র সতেরোজন। মানবতা নিমজ্জিত হয় নিকষকালো অন্ধকারে। ওই সমাজেই প্রিয় নবী (সা.) পরিচয় দিলেন, ‘বু-ইসতু মুআল্লিমান অর্থাৎ আমাকে শিক্ষক হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে’ (ইবনে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন কোনো জাতি নেই যারা জ্ঞানের মূল্য অস্বীকার করেছে, আর এমন কোনো সভ্যতা নেই যা শিক্ষকের হাত ধরে বিকশিত হয়নি। কারণ শিক্ষক আলোর বাহক, আত্মার স্থপতি এবং মানবতার