২. কাঠামোগত পরিবর্তন: বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চোখের নীচের পেশী ও লিগামেন্ট দুর্বল হয়ে পড়ে।
প্রাথমিক অবস্থায় কিছু ঘরোয়া অভ্যাসের মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যেমন—
কোল্ড কমপ্রেস: ঠাণ্ডা চামচ বা বরফ কাপড়ে মুড়িয়ে চোখের নীচে কয়েক মিনিট ধরে রাখলে সাময়িক ফোলা ভাব কমে যায়।ঘুমানোর পজিশন: ঘুমানোর সময় মাথা সামান্য উঁচুতে রাখলে চোখের নীচে তরল জমতে পারে না।
সঠিক স্কিনকেয়ার: রেটিনয়েড ও ময়েশ্চারাইজার ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়ায়। তবে অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত উপাদান চোখের খুব কাছে ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
মেডিকেল চিকিৎসা:
সমস্যা যদি স্থায়ী বা গুরুতর হয়, তবে কসমেটিক সার্জনরা আধুনিক কিছু চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে থাকেন:
টিয়ার-থ্রু ফিলার: চোখের নীচে গভীর গর্ত থাকার কারণে আই ব্যাগস মনে হলে, ফিলার দিয়ে তা ভরাট করা যায়।
লেজার ট্রিটমেন্ট: চামড়ার সামান্য শিথিলতা বা বলিরেখা দূর করতে স্কিন-টাইটেনিং লেজার ব্যবহার করা হয়।
লোয়ার ব্লেফারোপ্লাস্টি: চর্বি অতিরিক্ত ঝুলে পড়লে বা চামড়া আলগা হয়ে গেলে ছোট একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ফ্যাট বা চামড়া অপসারণ করা হয়, যা চোখে এনে দেয় এক সতেজ ও প্রাণবন্ত লুক।