ইয়াকুলেট লেডিরা নিয়মিত একই এলাকায় কাজ করেন। তাই গ্রাহকদের সঙ্গে তাদের পরিচিতি তৈরি হয়।একা থাকা বয়স্কদের সঙ্গে ছোট্ট কথোপকথনও তাদের দৈনন্দিন জীবনে সামাজিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে।ইয়াকুলেটের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সাল থেকে জাপানে একা থাকা বয়স্কদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার একটি কার্যক্রম চলে আসছে। এর লক্ষ্য হলো পণ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তারা নিরাপদে আছেন কি না, সেটিও খেয়াল করা।
নিয়মিত যাওয়ার কারণে ইয়াকুলেট লেডিরা গ্রাহকদের স্বাভাবিক আচরণ সম্পর্কে ধারণা পান। ফলে কোনো অস্বাভাবিকতা চোখে পড়লে দ্রুত বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো সম্ভব হয়।
একাকিত্ব কমাতে ছোট্ট যোগাযোগের বড় ভূমিকা
আধুনিক জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ অনেকেরই কমে যাচ্ছে। বিশেষ করে একা থাকা বয়স্কদের জন্য পরিচিত কারও নিয়মিত দেখা করা মানসিকভাবে স্বস্তিদায়ক হতে পারে।
জাপানের ইয়াকুলেট লেডিদের এই উদ্যোগ দেখাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগের জন্য সবসময় বড় কোনো আয়োজন প্রয়োজন হয় না। দরজায় নিয়মিত পরিচিত একজনের কড়া নাড়া, কয়েক মিনিটের কথা বলা এবং ‘কেমন আছেন’—এই ছোট্ট বিষয়গুলোও কারও দিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারে।
তাই জাপানে ইয়াকুলেট লেডিদের কাজ এখন শুধু পানীয় পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; অনেক জায়গায় তারা হয়ে উঠেছেন বয়স্কদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার একটি মানবিক মাধ্যম।