যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার বাংলাদেশি গবেষক ইরফান আল হুসাইনির (৩২) রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশের তদন্তে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ না মিললেও তার সমর্থকেরা ঘটনাটির তদন্ত বন্ধ করতে রাজি নন। যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালি ও বাংলাদেশে তার মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
অল্প সময়ের মধ্যেই দুজনের পেশাগত অগ্রগতি ঘটে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে শক্তি খরচ কমানোর গবেষণার জন্য ফাবিয়া ২০২৫ সালে ফোর্বসের ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ তালিকায় স্থান পান। অন্যদিকে, এনভিডিয়ায় জ্যেষ্ঠ তথ্যবিজ্ঞানী হিসেবে পদোন্নতি পান ইরফান। বেতন ও শেয়ারভিত্তিক সুবিধা মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় ছিল প্রায় পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার।
২০২৬ সালের ২২ জুলাই ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টোতে নিজেদের বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় ইরফানকে উদ্ধার করা হয়। আট দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়। পুলিশের বক্তব্য, ঘটনায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তার পরিবার ও সমর্থকেরা মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবাদ ও নানা কর্মসূচি পালন করেছেন।
গত আগস্টে ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েও ইরফানের মৃত্যু নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যরা।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।