বংশগত কারণ: পরিবারে বা বাবা-মায়ের উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস থাকলে শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
লাইফস্টাইল ও খাদ্যাভ্যাস: একটু বড় শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে জাঙ্ক ফুড ও অতিরিক্ত নোনতা খাবার খাওয়া, মোবাইল-টিভির স্ক্রিনে আসক্তি, বাইরে খেলাধুলো না করা, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ এই রোগের অন্যতম বড় কারণ।
রোগের ঝুঁকি কমানোর উপায়
শিশুদের এই নীরব ঘাতক থেকে দূরে রাখতে চিকিৎসকেরা জীবনযাত্রায় কয়েকটি জরুরি পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন:
বাইরের খাবার বন্ধ করা: ফাস্টফুড বা বাইরের প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস কমিয়ে বাড়িতে তৈরি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।
স্ক্রিন টাইম কমানো: মোবাইল, ল্যাপটপ বা টিভি দেখার সময় কমাতে হবে। এর ফলে শিশুদের ঘরের বাইরে গিয়ে খেলাধুলা করার আগ্রহ তৈরি হবে।
শারীরিক পরিশ্রম: শিশুদের প্রতিদিন অন্তত ১ ঘণ্টা বাইরে দৌড়ঝাঁপ বা খেলাধুলো করার সুযোগ দিতে হবে।
খাদ্যাভাসে বদল: প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত ফলমূল, শাকসবজি ও দানাশস্য রাখতে হবে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চর্বিহীন প্রাণিজ প্রোটিন (যেমন চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস বা মাছ) খাওয়া যাবে, তবে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও তেলযুক্ত খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: কোনোভাবেই যেন শিশুর ওজন অতিরিক্ত বেড়ে না যায়, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে।