কিয়ামতের আগে মহান আল্লাহ সোনার খনিগুলো উন্মুক্ত করে দেবেন। ফলে মানুষের কাছে এত পরিমাণ সম্পদ হয়ে যাবে যে সোনা সদকা করার জন্য লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে ফোরাত নদীর মধ্যে অবস্থিত সোনার বিশাল ভাণ্ডার উন্মুক্ত হলে তাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ যুদ্ধের ইঙ্গিত রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে নাওফাল (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনে কাব (রা.)-এর সঙ্গে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলাম। এ অবস্থায় তিনি বললেন, বিভিন্ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে, মানুষ পার্থিব সম্পদ উপার্জনের কাজে সর্বদা নিয়োজিত থাকবে। আমি বললাম, হ্যাঁ, ঠিকই। তখন তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, অচিরেই ফোরাত তার মধ্যস্থিত সোনার পাহাড় বের করে দেবে। তা শোনামাত্রই লোকজন সেদিকে চলতে আরম্ভ করবে। সেখানকার লোকেরা বলবে, আমরা যদি লোকদের ছেড়ে দিই তবে তারা সবই নিয়ে চলে যাবে। এ নিয়ে তারা পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে এবং এতে ১০০-এর মধ্যে ৯৯ জন লোক নিহত হবে। (মুসলিম, হাদিস : ৭০১২)
কোনো কোনো বর্ণনায় আছে, মহানবী (সা.) তাঁর উম্মতদের সেই সোনা গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।