মহানবী (সা.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কা নগরীর অভিজাত কুরাইশ গোত্রে জন্মগ্রহণ করেন।জন্মের আগে তিনি পিতৃহীন হন এবং অল্প বয়সে মা ও দাদাকে হারান। প্রকৃতপক্ষে তিনি জগত্সংসারের আশ্রয়ের পরিবর্তে মহান আল্লাহর আশ্রয়ে লালিত-পালিত হন। ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি নবুয়ত লাভ করেন। এরপর দীর্ঘ ২৩ বছর তিনি আল্লাহর বাণী প্রচারে নিজের সবকিছু উৎসর্গ করেন।
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সারা বিশ্বের মুসলমানরা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও সুন্নাহ অনুসরণের অঙ্গীকার করবে। তাঁর শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে শান্তি, ন্যায় ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় গ্রহণ করবে।
রাষ্ট্রপতির বাণী
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বাণী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে বলেছেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।