• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
/ লাইফস্টাইল
এ দেশ ষড়ঋতুর দেশ। একেক ঋতুতে আবহাওয়া একেক রকম। আর সে জন্য প্রতিটি ঋতুতে জীবনযাপনের ধরনও অনেকক্ষেত্রে আলাদা হয়ে থাকে। আমাদের পোশাক থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাস এবং ত্বকের যত্নের রুটিন—সব বিস্তারিত...
অনেকেই প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানি পান করেন, তারপরও ডিহাইড্রেশনের (পানিশূণ্যতা) সমস্যায় ভোগেন। কেন এমন হয়? চলুন, জেনে নিই। ডিহাইড্রেশন সাধারণত তখনই হয়, যখন শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি বেরিয়ে যায়,
প্রোটিনের কথা এলে সাধারণত সবাই মাছ-মাংস বা ডিমের কথাই বেশি ভাবেন। খুব বেশি ভেবে ফেললে তাতে যোগ হয় ডাল, বিন জাতীয় কিছু দানা শস্য এবং পনীরের বিষয়। তবে কিছু সাধারণ
আমাদের অনেকেরই ছোটবেলায় মা বলতেন, খাওয়ার সময় টিভি দেখো না। আর এখন তো টিভি ছাড়াও ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ এসব স্ক্রিন আমাদের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। অনেকেই মনে করেন, খাওয়ার সময় ফোন
কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির একটি। এটি শরীরের বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয় এবং পানি-লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। তবে আমাদের কিছু জীবনযাপন প্রণালী
অনেকেরই ধারণা, একবার লিভারের রোগ হলে তা সহজে সারে না। তবে চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো রোগ ধরা পড়লে এবং জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ আনা গেলে এমন সমস্যাও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। লিভার স্বাভাবিকভাবেই ফ্যাট
সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে অনেকের বুক ধড়ফড় করে। কারোর ক্ষেত্রে এই অনুভূতি সাময়িক হলেও, অন্যদের জন্য এটি চিন্তার কারণ হতে পারে। অনেক সময় শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। কিন্তু কেন এমন হয়?
ফুসফুসের স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা হলে প্রথমেই আসে ধূমপানের কথা। কারণ ধূমপান সরাসরি ফুসফুসে ক্ষতি করে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধূমপানই একমাত্র ক্ষতিকর নয়, আমাদের আরো কিছু প্রতিদিনের অভ্যাসও ফুসফুসের জন্য বিপজ্জনক