বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি’র সঙ্গে তাঁর নির্বাচনী এলাকার ১৫ সদস্য বিশিষ্ট ইমাম প্রতিনিধিদল সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ডেপুটি স্পীকার সবার খোঁজ-খবর বিস্তারিত...
মানুষ কখনো কখনো শরীরে এতটাই তীব্র ব্যথা অনুভব করে যে, সেটা আর সহ্যের সীমায় থাকে না। বরং নিঃশব্দে শুধু সহ্য করে যেতে হয়… এই কঠিন মুহূর্তগুলোতেই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড়
আবু হুরায়রা (রা.)-থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ‘আল্লাহর কিছু ফেরেশতা আছে তারা জিকিরকারীদের সন্ধানে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে। যখন কোনো কওমকে আল্লাহর জিকিরে মশগুল দেখে তারা একে অপরকে ডেকে বলে, তোমাদের
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, ‘সর্বপ্রথম যে ব্যক্তির ব্যাপারে কিয়ামতের দিন ফয়সালা করা হবে, সে ব্যক্তি যে শহিদ হয়েছিল। তাকে আনা হবে, তারপর
মানব ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা আছে, যা শুধু গল্প নয়—বরং ঈমানের জীবন্ত উদাহরণ। সুরা কাহাফ-এ বর্ণিত ‘আসহাবে কাহাফ’-এর ঘটনা তেমনই এক বিস্ময়কর কাহিনী, যেখানে একদল তরুণ দুনিয়ার সবকিছু ত্যাগ করে
ইসলামের ইতিহাসে মতপার্থক্য নতুন নয়, বরং তা এক দীর্ঘ বৌদ্ধিক ও ঐতিহাসিক ধারার অংশ। নবী মুহাম্মদ সা. এর ইন্তেকালের পর নেতৃত্বের প্রশ্নকে কেন্দ্র করে যে বিভাজনের সূচনা, তা ক্রমান্বয়ে আকিদা,
ইসলামে জাকাত আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো মাস বা রমজানের বাধ্যবাধকতা নেই। এটি নির্ভর করে ব্যক্তি কবে থেকে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন তার ওপর। তাই হিজরি বা চান্দ্র বর্ষ অনুযায়ী
নবীজি (সা.) বিভিন্ন সাহাবিকে রুকইয়াহ তথা দোয়া পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন। বিভিন্ন হাদিসের মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণিত। এক হাদিসে এসেছে, আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, আমাদের মধ্য থেকে কেউ অসুস্থ হলে নবীজি (সা.)