পারেদেসের এমন কর্মকাণ্ডের আগে অবশ্য গাভি উসকানিমূলক কিছু একটা বলে হালকা ধাক্কাও দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডারকে। তবে কী মন্তব্য করেছিলেন বার্সেলোনার মিডফিল্ডার তা এখনো জানা যায়নি।পরে কোচ ও অন্য খেলোয়াড়রা এসে দ্বন্দ্বের মিটমাট করেন। তবে এই ঘটনার জন্য ঠিকই লাল কার্ড দেখতে হয়েছে পারেদেসকে।
গাভি-পারদেসের এমন অসৌজন্যমূলক ঘটনার ম্যাচেই সৌহার্দপূর্ণ ভাববিনিময় করেন লিওনেল মেসি-লামিনে ইয়ামাল। ফাইনাল হারার পর হতাশায় মাঠের এক জায়গায় একাকী বসেছিলেন মেসি। উদযাপনের এক ফাঁকে দৌড়ে এসে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের সঙ্গে বুক মেলান বার্সেলোনার প্লে মেকার।
মাঠে একে-অপরের প্রথম দেখা হলেও মেসি-ইয়ামালের প্রথম সাক্ষাৎ হয় ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় ইয়ামালের জ্ঞানই হয়নি। কেননা তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৫ মাস। সেদিন বার্সেলোনার এক স্টুডিওতে ছোট্ট ইয়ামালকে গোসল করিয়ে দিয়েছিলেন সে সময়কার ২০ বছরের তরুন মেসি। বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন ও কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে সেদিন দুজনের দেখা হয়েছিল।