
অভিনেত্রী লেখেন, ‘আমার চিৎকার শুনেই সে বুঝতে পারে কিছু একটা ঘটেছে। বাইরে থেকে হয়তো আমি সাহসী থাকার চেষ্টা করেছি, কিন্তু ভেতরে ভেতরে কতটা ভয় পেয়েছিলাম, সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।’
ঘটনাটি পরের দিন শুটিং ইউনিটের সবাইকে জানিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘প্রথমে ভাবছিলাম বিষয়টা কাউকে বলব না। পরের দিন শুটিং ইউনিটের অনেকের সঙ্গে বিষয়টা শেয়ারও করেছি। জীবনে এর চেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা খুব কমই হয়েছে। আল্লাহ হয়তো সেদিন আমাকে রক্ষা করেছেন। কিন্তু মানসিকভাবে আমি যে কতটা ভেঙে পড়েছিলাম, কতটা আতঙ্ক আর চাপা যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম, সেটা শুধু আমিই জানি।’

এরপর ফারিন লেখেন, ‘আমরা যারা বাইরে কাজ করি, তারা জানি প্রতিনিয়ত কত ধরনের পরিস্থিতির শিকার হতে হয়।যে দেশে আমাকে (একজন নারীকে) আমার পোশাক দিয়ে বিচার করা হয়, সেখানে ধর্ষণের মতো আচরণ শুধুই মেয়েদের দোষ, বাংলাদেশের ইতিহাসে তেমন কোনো বিচার কখনো হয়নি যেটার ভয়ে এসব বন্ধ হবে। সত্যিই এই দেশে মেয়েরা নিরাপদ না।’